ফান্ডিং কি শুধু নিজ যোগ্যতাতে পাওয়া যায় নাকি এখানে ভাগ্য ও অন্যান্য এক্সটার্নাল ফ্যাক্টর কাজ করে?



ফান্ডিং, প্রফেসর ম্যানেজ করা এগুলা সবসময় শুধু পিউরলি নিজ নিজ যোগ্যতাতে হয় না, কিছু ক্ষেত্রে অনেক ভাগ্যের ও নেটওয়ার্কিং স্কিল এগুলার সাহায্য লাগে। দেখা গেছে পরিচিত কেউ বা কারো কাছে কোনো প্রফেসরের ফান্ডিংয়ের খবর শুনে এপ্লাই করে ফান্ডিং পায় অনেকে, আবার অনেক ভালো রেজাল্ট ও প্রোফাইল নিয়েও শুধু নেটওয়ার্কিং স্কিল, ও স্কলারশিপ/ ফান্ডিং নিউজ সোর্সের আপডেটেড খবর না জানার কারণে অনেকের প্রচেষ্টা বিফলে যায়। আজকাল হলো স্মার্ট উপায়ে পরিশ্রম ও প্রচেষ্টা চালানোর যুগ , শুধু কঠোর পরিশ্রম দিয়েই হয়না।


অনেক সময় অনেক যোগ্য ক্যান্ডিডেট তার এপ্লিকেশনের সময়ে প্রফেসরের কাছে ফান্ডিং না থাকায় সুযোগ পায়না, আবার হয়তো পরের বছর একই প্রফেসরের কাছে ওই ক্যান্ডিডেটেটের চেয়ে একটু কম মানের প্রোফাইলের স্টুডেন্ট এপ্লাই করে ফান্ডিং থাকায় সেটা পেয়ে যায়। যোগ্যতা ও ভাগ্যের দুটোরই একই সাথে ক্লিক হলেই ফান্ডিং ও প্রফেসর ম্যানেজ করা যায়। তাই কখনো প্রফেসরদের ইমেইল করে রেস্পন্স না পেলে নিজের যোগ্যতার প্রশ্ন তুলে মনে মনে হতাশ হবেন না, বরং প্রচেষ্টা চালিয়ে যান কারণ ভাগ্য প্রচেষ্টাকারীরই অনুকূল হয়- সেটা আজ অথবা কাল হোক। ৪০০/৫০০ প্রফেসরদের ইমেইল দিয়ে তারপর ফান্ডিং পায় এমন ঘটনা খুবই কমন, এতে হতাশ হবেন না । সব কিছুই প্ল্যানিং ও ধৈর্য সহকারে করতে হবে, আর দেশের বাইরে স্কলারশিপ নিয়ে পড়তে যাওয়া তো অনেক সময়, সাধনা আর পরিকল্পনার ব্যাপার। লেগে থাকে যারা, তারাই একদিন শেষ হাসি হাসে।