প্রিডেটরি রিসার্চ পাবলিকেশন বিস্তারিত: বেঁচে থাকুন ও দূরে থাকুন

Updated: Nov 10, 2020


বাইরে উচ্চ শিক্ষার্থে আবেদনে রিসার্চ পেপার থাকাটা অনেক বড় প্লাস পয়েন্ট,কিন্ত দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমাদের দেশের অধিকাংশ শিক্ষার্থীরা যেন-তেনো প্রিডেটরি (পড়ার সময় পড়ুন "অখাদ্য") কনফারেন্স ও জার্নালে পেপার পাবলিশ করে তৃপ্তির ঢেকুর তুলে সিভিতে এড করে দেয় এই ভেবে এবার ফান্ডিং আটকায় কে। কিন্ত এই টাইপের পাবলিকেশন সিভিতে রিসার্চ স্কিল তো বৃদ্ধি করেই না, বরং সিভি পলিউশন করে (হ্যা, দুষিত করে, এক কথায়) আর বাইরের প্রফেসরের কাছে এই টাইপের পাবলিকেশন এক কথায় রিসার্চার হিসেবে আপনি কতটা অসচেতন এবং ধারণাবিহীন সেটাই প্রমান করে। ফলশ্রুতিতে খুবই বাজে ইম্প্রেশন তৈরী হবে আপনার সম্পর্কে। এত কিছু হয়ে গেলেও, বেচারা শিক্ষার্থীর হয়তো কোন ধারনাই নাই প্রিডেটরি জার্নাল ও কনফারেন্স সম্পর্কে, তাই ভাগ্যকে দোষ দিয়ে নেক্সট ইনটেকে আবার এপ্লাই করে আশায় বুক বাধে। যাই হোক, প্রিডেটরি পেপার পাবলিকেশন নিয়ে আমাদের দেশের ছাত্র ছাত্রীদের সম্যক ধারণা দেয়ার উদ্দেশ্যে এই লেখনী। সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং, আর্টস, সোশ্যাল সায়েন্স, বিজনেস যেই ফিল্ডেরই হন না কেন, আপনি যদি রিসার্চার হতে চান ভবিষ্যতে অবশ্যই এই লিখাটি পড়ুন।

প্রিডেটরি পাবলিকেশনের শিকার কারা হয় বেশি ?


বাংলাদেশের আন্ডারগ্র্যাডদের অধিকাংশই পিয়ার-রিভিউ, সাইটেশন, জার্নাল সাইটেশন রিপোর্ট (JCR), Social Science Citation Index (SSCI), Science Citation Index (SCI), Science Citation Index Expanded (SCIE) ইত্যাদি সম্পর্কে সম্যক ধারনা না থাকায় তারাই সবচে বেশি এই প্রিডেটরি পাব্লিকেশন এর শিকার হয়। দুর্ভাগ্যক্রমে, আমার নিজের