শীত প্রধান দেশে পড়তে আসলে যা যা সমস্যা ফেইস করবেন

Updated: Nov 3, 2020



শীত প্রধান দেশ যেমন কানাডায় পড়তে আসলে যা যা সমস্যা ফেইস করবেন:

১. সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠার পর নাক ঝাড়লে জমাট ব্লাড দেখতে পাবেন। ব্যাপারটা না জানা থাকলে অনেকেই ভয় পেতে পারেন। কিন্ত ভয় পাবার কিছু নাই। শীতকালে এম্নিতেও লো হিউমিডিটির জন্য এমন হয়।


২. যদি সাইকেলের ভক্ত হন, সাইকেল বাদ দিতে হবে। হাল্কা বরফে অবশ্য স্নো টায়ার (মোটা চাকার সাইকেল) লাগিয়ে চালাতে পারবেন, কিন্ত blizzard এ পারবেন না। গাড়ির ক্ষেত্রেও স্নো টায়ার লাগাতে হয়।


৩. হেটে গ্রোসারি বা শপে যেতে চাইলে হাটু অবধি বুট জুতাগুলা পড়ার অভ্যাস করা লাগবে। স্লিপ না খেয়ে বরফে হাটার অভ্যেস করতে হবে


৪. বেলচা দিয়ে জমে থাকা বরফ সরানোর মত কাজ করার অভ্যেস থাকতে হবে, আর তাও সকাল সকাল। শহরের রুলস অনুযায়ী প্রতিদিন সকালে একটা নির্দিস্ট সময়ের মধ্যে বাসার সামনে পাব্লিকের চলাচলের রাস্তা থেকে বরফ সরিয়ে ফেলতে হবে, না হলে ইন্সপেকশন এসে ধরে মোটা ফাইন করবে।


৫. টানা তু্ষারপাতে ভার্সিটি, ও গ্রোসারি সব বন্ধ থাকবে মাঝে মাঝেই। বাসায় আগে থেকে বাজার না করে রাখলে না খেয়ে মরবেন। ওয়েদার এপ হলো নিত্য দিনের সংগি এসব ক্ষেত্রে।


৬. ঠান্ডার জন্য আউটডোর এক্টিভিটি জিরোতে নেমে আসবে, বাসায় ইনডোরে থাকতে হবে। মোটা হয়ে যাবেন। কারো কারো খুদা লাগে প্রচুর শিত কালে, খেতে খেতে রান্না করা খাবার শেষ হয়ে যাবে দ্রুত। বার বার রান্না করা লাগতে পারে, রান্না করতে গেলে থালা বাসন পরিস্কার করা লাগবে বেশি। এগুলা করার ইচ্ছা না থাকলে শুক্না খাবার বাসায় বেশি করে কিনে রেখে দিবেন।


৭. টানা অনেকদিন সুর্যের আলো মিস করবেন। সুর্য লাস্ট কবে দেখবেন মনেই থাকবে না। অনেকেরই সুর্যের আলো না পেলে ভেতরে ভেতরে অস্থিরতা কাজ করবে। ভিটামিন ডি কমতি হওয়া শুরু হবে। হাড্ডি গুড্ডি মট মট করে ভাংগা শুরু হতে পারে সাবধান না থাকলে।


৮. বাইরে গেলে অনেকেই উলের গ্লাভস সহ পড়ে যায় আর গ্লাভস পড়ে মোবাইলের টাচ স্ক্রিন আর তখন কাজ করবে না। গ্লাভস খুললে হাত জমে যাবে। তাই মোবাইল বাইরে চালাতে অনেক এমন ছোট ছোট সমস্যা হবে।


৯. যারা চশমা পড়েন, বাইরে গেলে মুখ নাক মাফলার দিয়ে ঢাকা থাকায় অনেক সময় গ্লাস ঘোলা হয়ে যাবে নি:শাসের ভাপে।


১০. গাড়ি এখানে সেখানে ছাউনিবিহীন রাখা যাবে না। না হলে পরেরদিন সকালে উপরে একমন বরফ, আর নিচে গাড়ি পাবেন। ওইটা ক্লিয়ার করতে খবর হয়ে যাবে। ছবি: ভ্যানকুভার, কানাডা, জানুয়ারি ২০২০, আমার বাসার সামনের রোড


লিখাটি লিখেছেন:

Md Nazmul Hasan Topu, Founder, Scholarship School BD

PhD researcher, Electrical & Computer Engineering

University of British Columbia, Vancouver, Canada

 

লিখাটি ব্যবহার করতে চাইলে, অবশ্যই লেখকের নাম, ও প্রতিষ্ঠান এর যথাযথ ক্রেডিট সহকারে করতে হবে।


লিখাটি শেয়ার করুন ও ইউটিউবে আমাদের টিপস গুলি ফলো করুন। প্রতিদিন স্কলারশিপ নিউজ, ও প্রফেসর ফান্ডিং টিপস, IELTS, GRE টিপস পেতে এখুনি জয়েন করুন Scholarship School BD Website: www.sschoolbd.com

ছবি: ভ্যানকুভার, কানাডা, জানুয়ারি ২০২০, আমার বাসার সামনের রোড

348 views0 comments